স্টিকার স্ক্যাম কীভাবে কাজ করে
প্রতারক এমন একটি QR কোড ছাপে, যা নকল পেমেন্ট বা লগইন পেজে নিয়ে যায়, আর জনসমক্ষে কোনো আসল কোডের ওপর তা সাঁটে। পার্কিং মিটার ও পে স্টেশন সাধারণ লক্ষ্য, কারণ মানুষ সেখানে পরিশোধের আশা করে এবং প্রায়ই তাড়াহুড়োয় থাকে। নকল পেজ কার্ডে পেমেন্ট নিতে পারে, পরে ব্যবহারের জন্য কার্ডের তথ্য সংগ্রহ করতে পারে, অথবা ভুক্তভোগীকে পুনরাবৃত্ত চার্জে নিবন্ধিত করতে পারে।
FBI-এর Internet Crime Complaint Center ২০২২ সালের জানুয়ারিতে কারসাজি করা QR কোড নিয়ে সতর্ক করেছিল, আর FTC-র ২০২৩ সালের ডিসেম্বরের ভোক্তা সতর্কবার্তায় পার্কিং মিটারের নকল কোডের কথা উল্লেখ ছিল।
কারসাজি করা কোড কীভাবে চিনবেন
স্ক্যানের আগে কোডটি দেখুন। উঁচু হয়ে ওঠা কিনারার স্টিকার, চারপাশের সাইনের চেয়ে নতুন বা আলাদা ধাঁচের কোড, অথবা ওপরে বসানো দ্বিতীয় কোড, সবই সতর্কতার চিহ্ন। তারপর লিংকের প্রিভিউ পড়ে সাইনে লেখা অপারেটরের নামের সঙ্গে মিলিয়ে দেখুন।
- কোডের ওপর স্টিকারের কিনারা বা বুদবুদ হাতে অনুভব করুন
- কোডের চেহারা ছাপা সাইনের সঙ্গে মিলিয়ে দেখুন
- প্রিভিউ করা ডোমেইন অপারেটরের সঙ্গে মেলে কি না দেখুন
- অনিশ্চিত হলে অপারেটরের সরকারি অ্যাপ বা ওয়েবসাইট ব্যবহার করুন
ব্যবসার জন্য পরামর্শ
যেসব ব্যবসা ও শহর QR কোড প্রদর্শন করে, তারা স্টিকারের বদলে সরাসরি সাইনে কোড ছেপে, স্বচ্ছ ঢাকনার পেছনে বসিয়ে এবং নিয়মিত পরীক্ষা করে ঝুঁকি কমাতে পারে। কোডের পাশে সরকারি ওয়েব ঠিকানা ছাপলে গ্রাহকদের মিলিয়ে দেখার কিছু থাকে, আর চেনা ডোমেইন থাকলে নকলটি ধরা সহজ হয়।